বাজারে নতুন ল্যাপটপের দাম অনেক সময় ক্রেতার বাজেটের বাহিরে চলে যায়। তাই, অনেকেই বাজেটের মধ্যে ভালো স্পেসিফিকেশনের ল্যাপটপ কেনার জন্য ব্যবহৃত ল্যাপটপের দিকে ঝুঁকে পড়েন।
কিন্তু ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার সময় সতর্ক না থাকলে ঠকানোর ঝুঁকি থাকে। তাই, আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার পূর্বে কোন কোন বিষয় গুলোর উপরে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং ল্যাপটপ কেনার সময় কি কি চেক করে কিনতে হবে সে বিষয়ে।
কেন ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনবেন?
ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার কিছু সুবিধা রয়েছে:
- মূল্য কম: ব্যবহৃত ল্যাপটপ নতুন ল্যাপটপের তুলনায় অনেক কম মূল্যে পাওয়া যায়।
- পরীক্ষিত: ব্যবহৃত ল্যাপটপ পূর্বে ব্যবহার করা হয়েছে এবং তাতে কোনো ত্রুটি থাকলে তা সাধারণত জানা যায়।
- প্রদর্শনী ল্যাপটপ: কিছু সময়ে প্রদর্শনী বা শোরুমের ল্যাপটপগুলি ব্যবহৃত ল্যাপটপ হিসেবে বিক্রি হয় যা প্রায় নতুনের মতই।
ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার আগে যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা উচিত!
১. বাজেট নির্ধারণ করুন
প্রথমেই আপনার বাজেট নির্ধারণ করতে হবে। কত টাকা খরচ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করলে সহজে সঠিক ল্যাপটপ বাছাই করতে পারবেন।
২. প্রয়োজনের বিশ্লেষণ
আপনার ব্যবহারের প্রয়োজন অনুযায়ী ল্যাপটপের স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ করুন। যদি আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হন তবে উচ্চ ক্ষমতার GPU সহ ল্যাপটপ প্রয়োজন হবে, আর যদি সাধারণ অফিস কাজের জন্য প্রয়োজন হয় তবে কম ক্ষমতার ল্যাপটপও যথেষ্ট।
৩. ব্র্যান্ড ও মডেল নির্বাচন
বিশ্বস্ত এবং ভালো ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ নির্বাচন করা উচিত। Dell, HP, Lenovo, Apple, ASUS ইত্যাদি ব্র্যান্ডের ল্যাপটপগুলি সাধারণত টেকসই এবং ভালো পারফর্ম করে।
৪. বিক্রেতার বিশ্বস্ততা
বিশ্বস্ত বিক্রেতার কাছ থেকে ল্যাপটপ কেনা উচিত। অনলাইনে বিক্রেতার রিভিউ পড়ে বা পরিচিতদের থেকে পরামর্শ নিয়ে ল্যাপটপ কিনতে পারেন।
ল্যাপটপ কেনার সময় যে বিষয়গুলো চেক করতে হবে
১. ল্যাপটপের বাহ্যিক অবস্থা
ল্যাপটপের বাহ্যিক অবস্থা ভালভাবে পরীক্ষা করুন। স্ক্র্যাচ, ডেন্ট বা কোনো ক্ষতি আছে কিনা তা লক্ষ্য করুন। স্ক্রিনে কোনো ডেড পিক্সেল, ফিজিক্যাল ড্যামেজ বা স্ক্র্যাচ আছে কিনা তাও পরীক্ষা করুন।
২. ব্যাটারি
ব্যাটারির অবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবহৃত ল্যাপটপের ব্যাটারি সাধারণত নতুনের তুলনায় কম স্থায়ী হয়। ব্যাটারির অবস্থা চেক করতে পারেন BatteryInfoView বা CoconutBattery (MacOS এর জন্য) এর মত সফটওয়্যার ব্যবহার করে। ব্যাটারির পূর্ণ চার্জ ধারণ ক্ষমতা এবং বর্তমান ধারণ ক্ষমতা তুলনা করতে হবে।
৩. কীবোর্ড এবং ট্র্যাকপ্যাড
কীবোর্ড এবং ট্র্যাকপ্যাডের সব কী ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করুন। কোনো কী সঠিকভাবে কাজ করছে না বা আটকে যাচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
৪. পোর্ট ও কানেক্টিভিটি
ল্যাপটপের সব পোর্ট (USB, HDMI, ইত্যাদি) এবং ওয়াইফাই, ব্লুটুথের মত সংযোগগুলো ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করুন। ইন্টারনেট কানেকশন চেক করার জন্য ওয়াইফাই সংযোগ দিয়ে পরীক্ষা করতে পারেন।
৫. স্টোরেজ ড্রাইভ
স্টোরেজ ড্রাইভের অবস্থা চেক করুন। হার্ড ড্রাইভের (HDD) অবস্থান ও এসএসডি (SSD) তে কোনো ড্যামেজ আছে কিনা তা পরীক্ষা করা উচিত। CrystalDiskInfo এর মত সফটওয়্যার ব্যবহার করে ড্রাইভের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যায়।
৬. প্রসেসর ও র্যাম
ল্যাপটপের প্রসেসর ও র্যামের ক্ষমতা আপনার কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা তা নিশ্চিত করুন। Task Manager (Windows) বা Activity Monitor (MacOS) খুলে চেক করতে পারেন যে সিস্টেমটি সঠিকভাবে পারফর্ম করছে কিনা।
৭. সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম
ল্যাপটপের সাথে যে অপারেটিং সিস্টেমটি আছে সেটি বৈধ এবং আপডেটেড কিনা তা চেক করুন। Windows এর ক্ষেত্রে Genuine Windows License থাকা জরুরি।
৮. তাপমাত্রা ও কুলিং সিস্টেম
ল্যাপটপ বেশি গরম হচ্ছে কিনা তা চেক করুন। অনেক পুরনো ল্যাপটপের কুলিং সিস্টেম ঠিকমত কাজ করে না, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির কারণ হতে পারে। CPU Temperature Monitor সফটওয়্যার ব্যবহার করে তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে পারেন।
৯. ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন
ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করুন। ভিডিও কনফারেন্স বা অনলাইন ক্লাসের জন্য এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
১০. গ্যারান্টি ও ওয়ারেন্টি
যদি সম্ভব হয়, ব্যবহৃত ল্যাপটপের গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টি থাকলে সেটি চেক করুন। কিছু রিফারবিসড ল্যাপটপের সাথে ওয়ারেন্টি দেওয়া হয় যা ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে কাজে লাগতে পারে।
ব্যবহৃত ল্যাপটপ কেনার সময় যা করবেন
- পরীক্ষা করুন ও প্রশ্ন করুন: ল্যাপটপটি পরীক্ষা করার সময় কোনো কিছু সন্দেহজনক লাগলে বিক্রেতাকে প্রশ্ন করুন।
- রিসিট নিন: ল্যাপটপ কেনার পর অবশ্যই রিসিট নিন যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে সমাধানের জন্য প্রমাণ থাকে।
- সফটওয়্যার ইন্সটল করুন: প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল করে পরীক্ষা করুন যে সবকিছু ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা।
- ব্যবহারের সময় পরীক্ষা করুন: ল্যাপটপটি কিছুক্ষণ ব্যবহার করে দেখুন, কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য।
ল্যাপটপ কেনার সময় শোরুমে যাওয়ার পর করণীয়!
ব্যাটারি পরীক্ষা:
-
ল্যাপটপ কেনার আগে অবশ্যই ব্যাটারি পরীক্ষা করে নিন।
-
শুরুতে কত পারসেন্ট চার্জ আছে তা লক্ষ্য রাখুন।
-
আপনার পরীক্ষা শেষ হলে কত পারসেন্ট চার্জ খরচ হয়েছে তা দেখুন।
-
এতে আপনি আনুমানিক ব্যাটারি ব্যাকআপ সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
-
কতটুক সময় ব্যবহারে কতটুকু চার্জ খরচ হচ্ছে তাও বের করতে পারবেন।
পরীক্ষার শুরুতে ল্যাপটপের স্ক্রিনের সম্পূর্ণ উজ্জ্বলতা রাখুন:
-
ল্যাপটপের স্ক্রিনের ব্রাইটনেস ১০০% দিয়ে রাখুন।
-
এতে আপনি বুঝতে পারবেন ল্যাপটপটি আউটডোরে কতটুকু ব্যাকআপ দিবে।
-
কারণ, আউটডোরে ব্যবহারের সময় স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা বেশি রাখতে হয়।
-
তাই, স্ক্রিনের ব্রাইটনেস সর্বোচ্চ রেখে পরীক্ষা করলে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ল্যাপটপটি কতক্ষণ ব্যবহার করা যাবে তা বুঝতে সুবিধা হবে।
ল্যাপটপের Born On Date চেক করুন:
ল্যাপটপ কেনার সময় ল্যাপটপ কত পুরনো তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
Born On Date ল্যাপটপের উৎপাদন তারিখ নির্দেশ করে।
এটি জানার জন্য:
- ল্যাপটপ রিস্টার্ট করুন।
- F1 বাটন ক্লিক করুন (HP ব্র্যান্ডের ল্যাপটপের জন্য)।
- BIOS সেটআপ মেনুতে যান।
- System Information বা Product Information অপশনে যান।
- Born On Date অথবা Manufacturing Date খুঁজুন।
- তারিখটি দেখুন।
ল্যাপটপের ডিসপ্লে চেক করুন:
ল্যাপটপ কেনার সময় ডিসপ্লে ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে কিছু বিষয় দেওয়া হল যা আপনার লক্ষ্য করা উচিত:
ডিসপ্লে রেজুলেশন:
- ল্যাপটপের সেটিংস থেকে ডিসপ্লে সেটিংস এ যান।
- ডিসপ্লে রেজুলেশন কত রেকমেন্ড করছে তা লক্ষ্য করুন।
- উচ্চ রেজুলেশন (যেমন 1920×1080 বা তার বেশি) ছবি ও ভিডিও স্পষ্ট দেখায়।
- আপনার চাহিদা অনুযায়ী রেজুলেশন নির্বাচন করুন।
- যদি আপনি গেমার হন তাহলে উচ্চ রিফ্রেশ রেট ওয়ালা ডিসপ্লে নিতে পারেন।
ল্যাপটপের ডিসপ্লে পরীক্ষা করার জন্য Eizo Monitor Test ব্যবহার
ল্যাপটপ কেনার সময় ডিসপ্লে ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
Eizo Monitor Test একটি ফ্রি টুল যা আপনাকে ল্যাপটপের ডিসপ্লেতে ডেড পিক্সেল অথবা স্ক্র্যাচ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে সাহায্য করবে।
এই টুলটি ব্যবহার করার জন্য:
- Eizo Monitor Test ওয়েবসাইটে যান: https://www.eizo.be/monitor-test/
- “Start Test” বোতামে ক্লিক করুন।
- পূর্ণ পর্দায় টেস্টটি চালু হবে।
- স্ক্রিনটি ভালোভাবে পরীক্ষা করুন এবং কোন ডেড পিক্সেল বা স্ক্র্যাচ দেখা যায় কিনা তা লক্ষ্য করুন।
- টেস্টটি বিভিন্ন রঙ দিয়ে চালান।
- কোন সমস্যা দেখা গেলে ল্যাপটপটি কিনবেন না।
কিবোর্ড পরীক্ষা করা:
- কিবোর্ডের বিভিন্ন অংশে চাপুন: কোন কি টিপতে সমস্যা হচ্ছে কিনা তা দেখুন।
-
অনলাইন কিবোর্ড টেস্টার ব্যবহার করুন: https://www.keyboardtester.com/ এর মতো ওয়েবসাইটগুলি আপনার কিবোর্ডের সমস্ত কী পরীক্ষা করতে সহায়তা করতে পারে।
দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করুন:
-
যদি আপনি উপরে উল্লেখিত পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করে ল্যাপটপের ভেরিয়েন্ট এবং উৎপাদন দেশ নির্ধারণ করতে না পারেন তাহলে দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করুন।
-
তারা আপনাকে ল্যাপটপের ভেরিয়েন্ট এবং উৎপাদন দেশ সম্পর্কে তথ্য দিতে পারবে।
ল্যাপটপের ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট চেক করুন:
ল্যাপটপের ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট জানা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি আপনাকে ল্যাপটপটি কত পুরনো তা বুঝতে সাহায্য করবে।
এটি জানার জন্য:
1. ল্যাপটপ রিস্টার্ট করুন।2. বুট মেনুতে প্রবেশ করুন: * বেশিরভাগ ল্যাপটপের জন্য: ল্যাপটপ রিস্টার্ট করার সময় ESC বা F2 বা Delete বা F10 বা F12 বা নির্মাতা নির্দিষ্ট কী (যেমন Dell ল্যাপটপের জন্য F12) বারবার চাপুন। * কিছু ল্যাপটপে: ল্যাপটপ রিস্টার্ট করার সময় BIOS লোগো দেখা যাওয়ার আগে নির্মাতা নির্দিষ্ট কী (যেমন Lenovo ল্যাপটপের জন্য Fn + F2) চাপতে হতে পারে।
3. BIOS সেটআপ মেনুতে যান।4. System Information অথবা Product Information অপশনে যান। 5. Manufacturing Date অথবা Born On Date খুঁজুন। 6. তারিখটি দেখুন।
Command Prompt ব্যবহার করে ল্যাপটপের ব্যাটারি রিপোর্ট চেক করুন:
ল্যাপটপের ব্যাটারি স্বাস্থ্য নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি আপনাকে কতক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে তা বুঝতে সাহায্য করবে।
Command Prompt (CMD) ব্যবহার করে ব্যাটারি রিপোর্ট চেক করার জন্য:
1. Command Prompt খুলুন:
- Windows Key + R টিপে Run ডায়ালগ বক্স খুলুন।
- cmd টাইপ করে Enter টিপুন।
- Command Prompt উইন্ডো খুলবে।
2. নিম্নলিখিত কমান্ডটি টাইপ করুন:
powercfg /batteryreport
3. Enter টিপুন:
- এটি আপনার সি ড্রাইভের ব্যবহারকারীর ফোল্ডারে “battery-report.html” নামে একটি HTML ফাইল তৈরি করবে।
4. “battery-report.html” ফাইলটি খুলুন:
- ফাইলটি খুলতে আপনার ডিফল্ট ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করবে।
5. ব্যাটারি রিপোর্ট পরীক্ষা করুন:
- এই রিপোর্টে আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারির বিস্তারিত তথ্য থাকবে, যার মধ্যে রয়েছে:
- ডিজাইন ক্ষমতা (Wh): নতুন অবস্থায় ব্যাটারির ধারণ ক্ষমতা।
- বর্তমান ক্ষমতা (Wh): বর্তমানে ব্যাটারিতে কত Wh বিদ্যুৎ ধারণ করা আছে।
- ওয়্যার লেভেল (%): ব্যাটারি কতটা zużyte হয়েছে।
- সর্বশেষ পূর্ণ চার্জ (%): ব্যাটারি কতটা চার্জ করা হয়েছিল।
- চার্জ চক্র: ব্যাটারি কতবার পূর্ণাঙ্গভাবে চার্জ এবং ডিসচার্জ করা হয়েছে।
- ব্যাটারি স্বাস্থ্য: ভালো , খারাপ অথবা প্রতিস্থাপন প্রয়োজন।
Task Manager ব্যবহার করে ল্যাপটপের হার্ডওয়্যার তথ্য পরীক্ষা করা:
আপনার ল্যাপটপের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি আপনাকে কোন অ্যাপ্লিকেশনগুলি আপনার ল্যাপটপে ভালোভাবে কাজ করবে তা বুঝতে সাহায্য করবে।
Task Manager ব্যবহার করে আপনি CPU, GPU, RAM, SSD সহ আপনার ল্যাপটপের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার উপাদান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেতে পারেন।
এটি করার জন্য:
- Ctrl + Shift + Esc টিপে Task Manager খুলুন।
- Performance ট্যাবে যান।
- CPU, GPU, RAM, এবং Storage ট্যাবগুলি পরীক্ষা করুন।
CPU ট্যাবে:
- CPU নাম এবং মডেল দেখুন।
- Core এবং Thread সংখ্যা দেখুন।
- Base clock speed এবং Boost clock speed দেখুন।
- CPU Usage গ্রাফ দেখুন।
GPU ট্যাবে:
- GPU নাম এবং মডেল দেখুন।
- Dedicated VRAM এবং Shared VRAM পরিমাণ দেখুন।
- GPU Usage গ্রাফ দেখুন।
RAM ট্যাবে:
- RAM এর মোট পরিমাণ দেখুন।
- Used RAM এবং Available RAM পরিমাণ দেখুন।
- Memory Usage গ্রাফ দেখুন।
Storage ট্যাবে:
- SSD এর নাম এবং মডেল দেখুন।
- SSD এর মোট ক্ষমতা এবং ব্যবহৃত ক্ষমতা দেখুন।
- Storage Usage গ্রাফ দেখুন।
অন্যান্য তথ্য:
- Task Manager উইন্ডোর নীচের অংশে Graphics card memory, Hard disk এবং Network সম্পর্কে কিছু তথ্য দেখানো হবে।
- আপনি যদি আরও বিস্তারিত তথ্য চান তাহলে Performance ট্যাবে Open Resource Monitor ক্লিক করুন।
মনে রাখবেন:
- Task Manager আপনাকে আপনার ল্যাপটপের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে মৌলিক তথ্য প্রদান করে।
- আপনার ল্যাপটপের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য পেতে আপনি Manufacturer’s website বা third-party system information tools ব্যবহার করতে পারেন।
কন্ট্রোল প্যানেল থেকে ল্যাপটপের সাউন্ড পরীক্ষা করা:
আপনার ল্যাপটপের সাউন্ড সিস্টেম ভালোভাবে কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
কন্ট্রোল প্যানেল ব্যবহার করে আপনি সহজেই আপনার ল্যাপটপের সাউন্ড পরীক্ষা করতে পারেন।
এটি করার জন্য:
1. কন্ট্রোল প্যানেল খুলুন:
- Windows 10/11 ব্যবহার করলে, Windows Key + R টিপে Run ডায়ালগ বক্স খুলুন।
- control টাইপ করে Enter টিপুন।
- Control Panel উইন্ডো খুলবে।
2. Sound অপশনে যান:
- Control Panel উইন্ডোতে, Hardware and Sound অধীনে Sound ক্লিক করুন।
3. Playback ট্যাবে যান:
- Sound উইন্ডোতে, Playback ট্যাবে ক্লিক করুন।
- আপনার ল্যাপটপের স্পিকার এখানে তালিকাভুক্ত করা হবে।
4. আপনার স্পিকার নির্বাচন করুন:
- আপনার ল্যাপটপের স্পিকার এর উপর ডান ক্লিক করুন।
- Test Sound ক্লিক করুন।
5. স্পিকার থেকে শব্দ শুনুন:
- আপনার ল্যাপটপের স্পিকার থেকে শব্দ বের হওয়া উচিত।
- সবগুলো স্পিকার পরীক্ষা করার জন্য এই পদক্ষেপগুলি পুনরাবৃত্তি করুন।
অন্যান্য টিপস:
- Volume কন্ট্রোল ব্যবহার করে স্পিকারের ভলিউম পরীক্ষা করুন।
- Balance কন্ট্রোল ব্যবহার করে বাম এবং ডান স্পিকার থেকে শব্দের ভারসাম্য পরীক্ষা করুন।
- Sound Effects ট্যাবে Sound Effects নির্বাচন করে বিভিন্ন ধরণের শব্দ প্রভাব পরীক্ষা করুন।
- Recording ট্যাবে মাইক্রোফোন পরীক্ষা করুন।
ল্যাপটপের মাইক্রোফোন পরীক্ষা করা:
আপনার ল্যাপটপের মাইক্রোফোন ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি আপনাকে অনলাইনে কল করতে, ভয়েস রেকর্ডিং করতে এবং অন্যান্য কাজ করতে সাহায্য করবে।
ল্যাপটপের মাইক্রোফোন পরীক্ষা করার জন্য:
1. কন্ট্রোল প্যানেল ব্যবহার করুন:
- Windows 10/11 ব্যবহার করলে, Windows Key + R টিপে Run ডায়ালগ বক্স খুলুন।
- control টাইপ করে Enter টিপুন।
- Control Panel উইন্ডো খুলবে।
- Hardware and Sound অধীনে Sound ক্লিক করুন।
- Recording ট্যাবে যান।
- আপনার ল্যাপটপের মাইক্রোফোন এখানে তালিকাভুক্ত করা হবে।
- আপনার মাইক্রোফোন ডান ক্লিক করুন এবং Test Microphone নির্বাচন করুন।
- মাইক্রোফোনে কথা বলুন।
- স্পিকার থেকে আপনার কণ্ঠস্বর শুনতে পাবেন যদি মাইক্রোফোন ঠিকভাবে কাজ করে।
2. ভয়েস রেকর্ডার ব্যবহার করুন:
- Windows 10/11 ব্যবহার করলে, Start মেনুতে Voice Recorder টাইপ করে খুলুন।
- Record বোতামে ক্লিক করুন।
- মাইক্রোফোনে কথা বলুন।
- Stop বোতামে ক্লিক করুন।
- আপনার রেকর্ডিং শুনুন।
- আপনার কণ্ঠস্বর স্পষ্টভাবে শুনতে পাবেন যদি মাইক্রোফোন ঠিকভাবে কাজ করে।
3. WhatsApp বা Messenger ব্যবহার করে কল করুন:
- WhatsApp বা Messenger খুলুন।
- একজন বন্ধু বা পরিবারের সাথে কল করুন।
- কলের সময় কথা বলুন।
- আপনার কণ্ঠস্বর স্পষ্টভাবে শুনতে পাবেন যদি মাইক্রোফোন ঠিকভাবে কাজ করে।
ল্যাপটপ কেনার সময় USB পোর্ট পরীক্ষা করা:
নতুন ল্যাপটপ কেনার সময় USB পোর্ট সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
USB পোর্ট পরীক্ষা করার জন্য:
1. একটি পেনড্রাইভ সাথে নিয়ে যান:
- ল্যাপটপ কেনার সময় একটি পেনড্রাইভ সাথে নিয়ে যান।
- পেনড্রাইভে কিছু ফাইল (যেমন ছবি, গান, ভিডিও) রাখুন।
2. USB পোর্টগুলিতে পেনড্রাইভ প্লাগ করুন:
- ল্যাপটপের সকল USB পোর্টে পেনড্রাইভ প্লাগ করুন।
- প্রতিটি পোর্টে পেনড্রাইভ প্লাগ করার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।
3. পেনড্রাইভের ফাইলগুলি অ্যাক্সেস করুন:
- File Explorer খুলুন।
- পেনড্রাইভ ডিভাইস খুঁজুন এবং খুলুন।
- পেনড্রাইভের ফাইলগুলি ব্রাউজ করুন এবং খুলুন।
4. USB পোর্টের কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন:
- পেনড্রাইভ থেকে ফাইলগুলি কপি এবং পেস্ট করতে পারছেন কিনা তা পরীক্ষা করুন।
- পেনড্রাইভ থেকে ফাইলগুলি প্লে করতে পারছেন কিনা তা পরীক্ষা করুন।
- পেনড্রাইভ থেকে ডিভাইস চার্জ করতে পারছেন কিনা তা পরীক্ষা করুন (যদি USB পোর্ট চার্জিং সাপোর্ট করে)।
মনে রাখবেন:
- বিভিন্ন ধরণের USB পোর্ট আছে, যেমন USB 2.0, USB 3.0, USB 3.1, USB-C ইত্যাদি।
- প্রতিটি USB পোর্টের বিভিন্ন ডেটা ট্রান্সফার গতি থাকে।
- ল্যাপটপ কেনার আগে আপনার প্রয়োজনীয় USB পোর্টের ধরন এবং ডেটা ট্রান্সফার গতি নিশ্চিত করুন।
- USB পোর্ট সঠিকভাবে কাজ করছে না যদি ল্যাপটপ কিনবেন না।ল্যাপটপের হেডফোন জ্যাক ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা চেক করুন ল্যাপটপ কিনতে যাওয়ার আগে একটি হেডফোন সাথে করে নিয়ে যাবেন এই লেখাটিকে সঠিকভাবে লিখে দিন
ল্যাপটপটি ব্যবহার করে দেখুন: টাচপ্যাড, কীবোর্ড, স্ক্রিন, এবং অন্যান্য ইনপুট ডিভাইসগুলি ব্যবহার করে দেখুন।
একটি হেডফোন এবং একটি ব্লুটুথ ডিভাইস সাথে নিন: ল্যাপটপের হেডফোন জ্যাক এবং ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য একটি হেডফোন এবং একটি ব্লুটুথ ডিভাইস (যেমন, ব্লুটুথ হেডফোন, স্পিকার, বা ফোন) সাথে নিয়ে যান।
ল্যাপটপের ক্যামেরা পরীক্ষা করা:
নতুন ল্যাপটপ কেনার সময় ক্যামেরা ভালোভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
ল্যাপটপের ক্যামেরা পরীক্ষা করার জন্য:
1. ক্যামেরা অ্যাপ্লিকেশন খুলুন:
- Windows 10/11 ব্যবহার করলে, Start মেনুতে Camera অ্যাপ্লিকেশন খুঁজুন এবং খুলুন।
- অন্যান্য ল্যাপটপে প্রস্তুতকারকের নিজস্ব ক্যামেরা অ্যাপ্লিকেশন থাকতে পারে।
2. ছবি তুলুন:
- Camera অ্যাপ্লিকেশনে, Capture বোতামে ক্লিক করে একটি ছবি তুলুন।
- ছবির মান পরীক্ষা করুন।
- ছবি স্পষ্ট এবং সঠিক রঙের হওয়া উচিত।
3. ভিডিও রেকর্ড করুন:
- Camera অ্যাপ্লিকেশনে, Record বোতামে ক্লিক করে একটি ভিডিও রেকর্ড করুন।
- ভিডিওর মান পরীক্ষা করুন।
- ভিডিও সমতল এবং স্পষ্ট হওয়া উচিত।
- শব্দ স্পষ্ট এবং স্পষ্ট হওয়া উচিত।
4. বিভিন্ন সেটিংস পরীক্ষা করুন:
- ক্যামেরা অ্যাপ্লিকেশনে বিভিন্ন সেটিংস পরীক্ষা করুন।
- রেজোলিউশন, ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট, ওয়াইট ব্যালেন্স ইত্যাদি সেটিংস পরিবর্তন করুন।
- আপনার পছন্দের ফলাফল পাওয়া যায় কিনা দেখুন।
মনে রাখবেন:
- ল্যাপটপের ক্যামেরার মান ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
- কিছু ল্যাপটপের উচ্চ-মানের ক্যামেরা থাকে, অন্যদের কম-মানের ক্যামেরা থাকে।
- ল্যাপটপ কেনার আগে আপনার প্রয়োজনীয় ক্যামেরার মান নিশ্চিত করুন।
- ক্যামেরা সঠিকভাবে কাজ করছে না যদি ল্যাপটপ কিনবেন না।
নতুন ল্যাপটপ কেনার সময় ফেস লক ভালোভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
Hard Disk Sentinel ব্যবহার করে ল্যাপটপের SSD এবং HDD-এর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা:
ল্যাপটপের SSD এবং HDD ভালোভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
Hard Disk Sentinel একটি টুল যা আপনাকে আপনার ল্যাপটপের SSD এবং HDD-এর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।
Hard Disk Sentinel ব্যবহার করার জন্য:
1. Hard Disk Sentinel ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন:
- Hard Disk Sentinel https://www.hdsentinel.com/ থেকে ডাউনলোড করুন।
- টুলটি ইনস্টল করুন এবং চালু করুন।
2. SSD এবং HDD নির্বাচন করুন:
- Hard Disk Sentinel ইন্টারফেসে, আপনার ল্যাপটপের SSD এবং HDD নির্বাচন করুন।
3. স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন:
- নির্বাচিত SSD এবং HDD জন্য Hard Disk Sentinel স্বাস্থ্য পরীক্ষা দেখানো হবে।
- স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিম্নলিখিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করবে :
- Performance: SSD এবং HDD কতটা দ্রুত কাজ করছে তা নির্দেশ করে।
- Temperature: SSD এবং HDD কতটা গরম তা নির্দেশ করে।
- Health: SSD এবং HDD কতটা সুস্থ তা নির্দেশ করে।
- SMART: SSD এবং HDD সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে।
4. সতর্কতা পর্যবেক্ষণ করুন:
- Hard Disk Sentinel সতর্কতা দেখাবে যদি আপনার SSD এবং HDD সমস্যার সম্মুখীন হয়।
- সতর্কতাগুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করুন এবং প্রয়োজনে পদক্ষেপ নিন।
মনে রাখবেন:
- Hard Disk Sentinel একটি বিনামূল্যের ট্রায়াল সংস্করণ অফার করে।
- ট্রায়াল সংস্করণ সবকিছু করতে পারে না যা পূর্ণ সংস্করণ করতে পারে।
- আপনার ল্যাপটপের SSD এবং HDD সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে Hard Disk Sentinel সাহায্য ফাইল দেখুন।
এই টিপসটি আপনার ল্যাপটপের SSD এবং HDD-এর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে Hard Disk Sentinel ব্যবহার করতে সাহায্য করবে বলে আশা করি।
ল্যাপটপের টাচস্ক্রিন পরীক্ষা করা:
নতুন ল্যাপটপ কেনার সময় টাচস্ক্রিন ভালোভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
ল্যাপটপের টাচস্ক্রিন পরীক্ষা করার জন্য:
1. স্ক্রিনের বিভিন্ন অংশে স্পর্শ করুন:
- আপনার আঙ্গুল বা স্টাইলাস ব্যবহার করে স্ক্রিনের বিভিন্ন অংশে স্পর্শ করুন।
- নিশ্চিত করুন যে স্ক্রিন আপনার স্পর্শে সাড়া দিচ্ছে এবং কার্সর সঠিকভাবে স্থানান্তরিত হচ্ছে।
- স্ক্রিনের কোন অংশে স্পর্শ করলে সমস্যা হয় তা দেখুন।
2. স্ক্রোলিং এবং জুমিং পরীক্ষা করুন:
- দুটি আঙ্গুল ব্যবহার করে স্ক্রিন স্ক্রোল করুন।
- দুটি আঙ্গুল চিমটি করে স্ক্রিন জুম করুন।
- নিশ্চিত করুন যে স্ক্রোলিং এবং জুমিং সমতল এবং স্পষ্ট।
3. পেইন্ট সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে আঁকুন:
- Windows 10/11 ব্যবহার করলে, Start মেনুতে Paint অ্যাপ্লিকেশন খুঁজুন এবং খুলুন।
- আপনার আঙ্গুল বা স্টাইলাস ব্যবহার করে স্ক্রিনে আঁকুন।
- নিশ্চিত করুন যে আপনার আঁকা সঠিকভাবে রেকর্ড করা হচ্ছে এবং স্ক্রিনের কোন অংশে সমস্যা হয় তা দেখুন।
4. বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনে টাচস্ক্রিন ব্যবহার করুন:
- ওয়েব ব্রাউজার, মিউজিক প্লেয়ার, ভিডিও প্লেয়ার ইত্যাদি বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনে টাচস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
- নিশ্চিত করুন যে টাচস্ক্রিন সব অ্যাপ্লিকেশনে ভালোভাবে কাজ করছে।
ল্যাপটপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেট করা এবং পরীক্ষা করা:
নতুন ল্যাপটপ কেনার সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভালোভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
ল্যাপটপে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেট করার জন্য:
1. Windows Hello সেটআপ করুন:
- Windows 10/11 ব্যবহার করলে, Start মেনুতে Settings অ্যাপ্লিকেশন খুলুন।
- Accounts > Sign-in options তে যান।
- Windows Hello PIN > Add ক্লিক করুন।
- আপনার PIN সেট করুন।
- Fingerprint (optional) > Add ক্লিক করুন।
- আপনার আঙ্গুল স্ক্যান করুন।
2. ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করে লগইন করুন:
- ল্যাপটপ থেকে লগ আউট করুন।
- আপনার আঙ্গুল ব্যবহার করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারে স্পর্শ করুন।
- আপনার ল্যাপটপে লগইন করা উচিত।
3. ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্পিড পরীক্ষা করুন:
- ল্যাপটপ থেকে লগ আউট করুন।
- আপনার আঙ্গুল ব্যবহার করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারে স্পর্শ করুন।
- কত দ্রুত আপনার ল্যাপটপে লগইন করা হয় তা দেখুন।
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্পষ্ট এবং সঠিকভাবে কাজ করছে তা নিশ্চিত করুন।
4. বিভিন্ন আঙ্গুল ব্যবহার করে পরীক্ষা করুন:
- বিভিন্ন আঙ্গুল ব্যবহার করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারে স্পর্শ করুন।
- নিশ্চিত করুন যে ল্যাপটপ আপনার সব আঙ্গুল স্বীকার করছে।
ল্যাপটপে উইন্ডোজ ভার্সন এবং অ্যাক্টিভেশন পরীক্ষা করা:
নতুন ল্যাপটপ কেনার সময় উইন্ডোজ ভার্সন এবং অ্যাক্টিভেশন নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
ল্যাপটপের উইন্ডোজ ভার্সন এবং অ্যাক্টিভেশন পরীক্ষা করার জন্য:
1. উইন্ডোজ কী + X প্রেস করুন।
2. “Settings” ক্লিক করুন।
3. “System” ক্লিক করুন।
4. “About” পেইজে যান।
5. “Windows edition” অধীনে আপনার উইন্ডোজ ভার্সন দেখুন (উদাহরণস্বরূপ, Windows 10 Pro, Windows 11 Pro)।
6. “Windows activation” অধীনে আপনার উইন্ডোজ অ্যাক্টিভেটেড হয় কিনা তা দেখুন (“Windows is activated” বলতে হবে)।
ল্যাপটপের বডিতে কোন দাগ স্ক্র্যাচ বা কোন জায়গা দিয়ে রং উঠে গেছে কিনা চেক করে দেখবেন ল্যাপটপটি খুলতে এবং বন্ধ করতে লক্ষ্য করুন যদি ল্যাপটপটি বেশি লুজ হয় তাহলে মনে করবেন সেটি অনেকদিন ব্যবহার করা হয়েছে
ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করুন ল্যাপটপটিকে কোন ভাবে রং করা হয়েছে কিনা যদি রং করা হয়ে থাকে তাহলে রং করা ল্যাপটপ নিবেন না
ল্যাপটপের চার্জার পরীক্ষা করা:
নতুন ল্যাপটপ কেনার সময় চার্জার ভালোভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
ল্যাপটপের চার্জার পরীক্ষা করার জন্য:
1. অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করুন:
- নিশ্চিত করুন যে আপনি ল্যাপটপের সাথে সরবরাহ করা অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করছেন।
- অনুমোদিত তৃতীয় পক্ষের চার্জার ব্যবহার করা যেতে পারে যদি অরিজিনাল চার্জার উপলব্ধ না থাকে।
2. চার্জারের চেহারা পরীক্ষা করুন:
- চার্জারের কেবল এবং অ্যাডাপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি তা দেখুন।
- কোন তার ছিঁড়ে যায়নি বা বেরিয়ে আসে নি তা নিশ্চিত করুন।
- কোন পোড়া চিহ্ন নেই তা নিশ্চিত করুন।
3. চার্জার সংযোগ পরীক্ষা করুন:
- ল্যাপটপে চার্জার প্লাগ করুন।
- নিশ্চিত করুন যে সংযোগ দৃঢ় এবং সুরক্ষিত।
- চার্জার ল্যাপটপ থেকে খুলে যায় না তা নিশ্চিত করুন।
- চার্জার চেক করে নিবেন ল্যাপটপে চার্জার কানেক্ট করার পরে ল্যাপটপের মেটালিক পার্টি টাচ করলে যদি শর্ট করে তাহলে বুঝতে হবে চার্জার অরিজিনাল নয় আপনি সাথে একটি ইলেকট্রিক টেস্টার নিয়ে যেতে পারেন চেক করে দেখার জন্য যে ল্যাপটপটি চার্জ করার সময় কি আর্থিং করছে কিনা




